প্রবল বৃষ্টি আর মেঘলা আবহাওয়ার কারণে চরম সমস্যায় পড়েছেন উত্তর দিনাজপুর জেলার মৃৎশিল্পী আর মন্ডপ শিল্পীরা। এখনও বেশকিছু মৃৎশিল্পী তাদের দূর্গা প্রতিমা না শুকানোর কারনে রঙ করতে পারেননি। আকাশ একটু পরিষ্কার হলেই খোলা আকাশের নীচে দূর্গা প্রতিমা বের করে শুকানোর চেষ্টা করছেন কিন্তু বাদ সাধছে মাঝেমধ্যেই বৃষ্টির দাপট।
অনেক মৃৎশিল্পীর দূর্গা প্রতিমা ভিজেও গিয়েছে। আগুন দিয়ে প্রতিমা শুকানোর আপ্রান চেষ্টা করছেন তারা। এরকম মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টি থাকলে প্রতিমা মন্ডপে কিভাবে পৌঁছাবে তা নিয়েই চিন্তিত দূর্গা প্রতিমা শিল্পীরা।অপরদিকে বড় বড় পুজো কমিটিগুলির বিশালাকার মন্ডপের কাজ করতে গিয়ে বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্ডপ নির্মানকারীদের।
প্রবল বৃষ্টির কারনে কিছুতেই কাজ করা যাচ্ছেনা। পঞ্চমীর মধ্যে মন্ডপ তৈরি করা দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে।
হাতে মাত্র আর দশটা দিন। এরপরই শুরু হবে দেবী দূর্গার বোধন। তৃতীয়ার মধ্যেই পুজো মন্ডপগুলিতে পৌঁছে দিতে হবে দূর্গা প্রতিমা। নির্মান কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলতে হবে মন্ডপগুলোও।
কিন্তু অঝোর ধারায় বৃষ্টি কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের। প্রতিমা এখনও ঠিকমতো শুকায়নি। ফলে রঙ করা বাকি আছে।
এরপর আছে দেবীর সাজসজ্জা।
রায়গঞ্জ কুমোরটুলির প্রখ্যাত মৃৎশিল্পী বলেন, খারাপ আবহাওয়ার জন্য এবার প্রতিমা সম্পূর্ণ করতে সময় লেগে যাচ্ছে।
রায়গঞ্জে বেশ কয়েকদিন ধরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি হয়ে চলেছে। পলিথিন দিয়ে প্রতিমা ঢেকে রাখতে হচ্ছে। প্রতিমা শুকানো যাচ্ছেনা।
ল্যাম্প, ড্রাইয়ার দিয়ে প্রতিমা শুকানোর আপ্রান চেষ্টা চালাচ্ছেন মৃৎশিল্পীরা।
আবাহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর আরও কয়েকদিন মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টি চলবে। সময়মতো প্রতিমা ডেলিভারি দিতে না পারলে ছাড়বেনা পুজো উদ্যোক্তারাও।
ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন কুমোরটুলির দূর্গা প্রতিমা তৈরির শিল্পীরা। মৃৎশিল্পীদের পাশাপাশি মন্ডপ নির্মানকারীরাও চরম সমস্যায় মধ্যে পড়েছেন।
প্রবল বর্ষনের কারনে মন্ডপের কাপড় লাগানো বা মন্ডপ পেইন্ট করা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে রায়গঞ্জে প্রতিমা আর মন্ডপ সম্পূর্ণ করা নিয়ে দুই শিল্পীদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

