এবি বঙ্গনিউজ,মালদা, ০৪ সেপ্টেম্বর :
নববধূকে শ্বশুর বাড়িতে ঢুকতে বাধা, প্রতিবাদে মহিলা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। বিয়ের ১৫ দিন পর নববধূকে বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেওয়ায় পরিবারের লোকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের।
উল্টে নববধূর পরিবারের লোক এবং গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করার অভিযোগ উঠল নববধূর স্বামী এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে।
বুধবার দুপুর দেড়টা নাগাদ, ইংরেজবাজার থানার মিলকি অঞ্চলের বড় গোসাইপুর গ্রামের বাসিন্দারা মহিলা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। তাদের অভিযোগ, গ্রামে এক যুবক- যুবতী প্রেম করতো।
গ্রামের লোকজন ও দুই পরিবারের আলাপ-আলোচনা করে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ, সোমবার নববধু কম্পিউটার পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরলে তিনি দেখেন তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা বাড়িতে তালা বন্ধ করে রেখেছেন।
ঘরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় তাকে। এরপর পরিবারের লোক এবং গ্রামের লোকেরা বারবার বুঝেও কোনো সুরাহা হয়নি।
উল্টে নববধূর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা নববধূর পরিবার এবং কয়েকজন গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।
এই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে মিল্কি ফাঁড়ির পুলিশ তদন্তে যায়। পুলিশ তাদের বলে আসে বসে মিটি নেওয়ার কথা।কিন্তু এর পরেও কোনো সুরাহা হয় নি। মোট ১২ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করে নববধূর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা।
সেই অভিযোগ তোলা হয়নি। এরপর নববধূর ন্যায্য দাবীতে গ্রামবাসীরা মহিলা থানা ঘেরাও করে। সেখানে তারা দীর্ঘক্ষন বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় সেখানে।
নববধূ জানিয়েছেন স্বামীর ঘরে ফেরার দাবি নিয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।তিনি বলেন গত ১৫ দিন ধরে তিনি তার শ্বশুরবাড়িতে স্বামীর সাথে ছিলেন হঠাৎ পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরলে তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ঘরে তালা মেরে দেন।
এবং তাকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেন। ন্যায্য দাবিতে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের ওই যুবক যুবতীর প্রেম আলাপ করতেন।
গ্রামবাসী এবং দুই পরিবারের লোকেদের মতামত নিয়ে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। ১৫ দিন তারা সংসার করেন।সোমবার নববধূ কম্পিউটার পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরলে সে দেখে তার বাড়ির সদর দরজায় তালা দেওয়া রয়েছে।
নববধূকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেন শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। এই ঘটনায় তাদের বুঝাতে গেলে উল্টে নববধূর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা গ্রামবাসীদের নামে অভিযোগ দায়ের করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করে। তারা পুলিশকে বললে পুলিশ বসে মীমাংসা করতে বলেন। সেই কারণে তারা শতাধিক গ্রামবাসী মহিলা থানায় অভিযোগ জানান।