এবি বঙ্গনিউজ, উঃ দিনাজপুর।
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন দুই ছেলের চিকিৎসা করাতে আর্থিক সঙ্কটে পড়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার সুরভিপল্লির ঘোষ দম্পতি।
স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের সমস্যা জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। এই দিন ওই পরিবারকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিল চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূল কংগ্রেসের আজাহার উদ্দিন।
এই দিন পঞ্চায়েত অফিসে আজাহার সাহেব তার মাসিক ভাতা ৫ হাজার টাকা ওই পরিবারের হাতে তুলে দেয়, সেসঙ্গে সমিতি থেকে ৪৮ কেজি চাল জিআর দপে।
তাদের চিকিৎসার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের করার আশ্বাস দিয়েছে।
উল্লখ্য খুশিমোহন ঘোষ ও শঙ্করী ঘোষ দম্পতির দুই ছেলে গোপাল ও মিঠুন।
গোপালের বয়স ২০ বছর ও মিঠুনের ১৮ বছর। দু’জনই বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন হয়েছে।
জন্মের পর ৪ বছর বয়স পর্যন্ত গোপাল কথা বলত না। পরিবার থেকে বহু চিকিৎসা করানোর পরে এখন সামান্য কিছু বলতে পারে। মিঠুন তো কথাই বলতে চায় না।
রোগা ও দুর্বল শরীর। খাইয়ে না দিলে নিজেরা খেতে পারে না। স্নান করানো থেকে তাদের যাবতীয় কাজই পরিবারের লোকদের করতে হয়। সর্বক্ষণ গ্রিলের দরজা বন্ধ কবে রাখতে হয়।
চোখের আড়াল হলেই মুহূর্তের মধ্যে কোথাও চলে যায়। ঘোষ দম্পতি দুই ছেলেকে বহু জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন।
কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। মা শঙ্করী ঘোষ বলেন, এখন আমরা আছি, ওদের দেখভাল করছি। কিন্তু যখন আমরা থাকব না তখন ওদের দুই ভাইয়ের কী হবে। তা ভেবেই কূল পাই না।
বড় জায়গায় চিকিৎসা করাতে প্রচুর টাকার দরকার।
সরকারি ভাবে কোনও সহায়তা এখনও পাইনি।শনিবার দুপুরে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাহেব আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন।
তিনি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন এবং দিদিকে বলোর মোবাইল নম্বরের কার্ড দিয়েছেন। তাতে ফোন করেছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দপাধ্যায় সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে।
এইদিন সভাপতি সাহের ৫ হাজার টাকা ও চাল দিয়ে আমাদের সহায়তা করেছে। আজাহার সাহেব বলেন, আগামিতেও ওই পরিবারের পাশে আমি থাকবো।
আমার পক্ষ থেকে সাধ্যমতোন চেষ্টা করবো।

