,
সমাজের কাছে ওরা ঘৃণ্য।
কারণ ওরা এমন এক পেশার সঙ্গে যুক্ত তাতে সমাজে কোন স্থান নেই তাদের। উৎসবে, আনন্দে ওদের কোন স্থান নেই।
সমাজের শিক্ষিত মানুষজন ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। কারণ ওরা যৌনপল্লীর মেয়ে।
আসন্ন দুর্গাপূজায় যখন গোটা দেশ আনন্দে মেতে উঠবে তখন কুলটির চবকা যৌনপল্লীর মেয়েদের কিন্তু ওই দেয়ালঘেরা ঘরের ভেতরে থেকে যেতে হবে। তাদের ইচ্ছে থাকলেও তারা আনন্দ করতে পারবে না।
ইচ্ছে থাকলেও তারা পুজোর কোন কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ইচ্ছে থাকলেও পরম করুনাময়ী মা দুর্গার কাছে গিয়ে তারা পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারবেনা। এই কষ্ট বহুদিনের ছিল।
তাই কষ্ট দূর করতে এবার তাই নিজেরাই এগিয়ে এলো দূর্গা পূজা করতে। নিজেদের আনন্দ নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতে চবকা দুর্বার কমিটি দ্বারা আয়োজিত হচ্ছে দুর্গাপূজা।
এবছরই প্রথম। যৌনপল্লীর বাসিন্দারাই এই দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছে। পাশে এসে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। বেশ জমজমাট করে দুর্গাপূজা হচ্ছে।
আনন্দ, খাওয়াদাওয়া, নাচগানে ভরে উঠবে বলেই জানিয়েছে যৌনকর্মীরা। তবে সরকারি সাহায্য এখনো পর্যন্ত মেলেনি।
আগামী বছর হয়তো সেটাও হয়ে যেতে পারে। বহু বছরের মনের ভেতর চেপে থাকা বাসনা এবার যেন সত্যি হতে চলেছে।
দুর্গাপূজায় আনন্দের পাশাপাশি এবার মা দুর্গাকে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার প্রথমবার সুযোগ পাবে যৌন পল্লীর মেয়েরা।
