গৃহবধূর ভরে মায়ের আদেশ পেয়ে প্রায় ৪০০ বছরের পুরানো চণ্ডী রূপে দূর্গা মন্দিরে ধুমধামের সঙ্গে পুজা হচ্ছে এবারে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের থানা পাড়ায়। থানা পাড়ার চার শতাধিক বছরের পুরানো মন্দির তৈরি করেছিলেন মৃত চিত্তরঞ্জন দাসের পূর্বপুরুষেরা।
মন্দিরের দেওয়ালে মন্দির স্থাপনের ইতিবৃত্ত লেখা থাকলেও আজ পর্যন্ত কেউ, লেখা তা বুঝে উঠতে সক্ষম হননি । প্রায় ৬০ বছরের আগে পর্যন্ত এই মন্দিরের দুর্গা পুজায় সময় মা চণ্ডীর রুপূরে দূর্গা আরাধনায় মেতে উঠতেন কালিয়াগঞ্জের সাধারণ মানুষজন।
ভোগ বিতরণ সহ পাঁঠাবলি ও বিশাল মেলার আয়োজন দেখতে দূরদূরান্ত থেকে গরুর গাড়ি করে এখানে প্রচুর মানুষের আসত ।সময়ের পাট পরিবর্তনে আজ সবই অতিত।।
আজ আর কিছুই নেই। এখান কার দূর্গার বেশেষত এক চালার দেবীর মূর্তি হলেও লক্ষ্মী ও সরস্বতী ঠিক যায়গায় থালেও এবং গণেশ ও কার্তিক স্থানটি ডানের যায়গায় বায়ে রয়েছে। চুন সুরকীর তৈরি চার চালার মন্দিরের গাঁ ঘেঁষে বর্তমানে গজিয় ওঠা পাকুড় গাছের শিকড়ে পাঁচির ফাটিয়ে মন্দিরের জরাজীর্ণ অবস্থা জরিয়ে রয়েছে।
লোক সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্দিরের চারিদিকে গজিয়ে উঠেছে প্রচুর জনবসতি। এবছর এলাকার মানুষের আর্থিক সহতায় মন্দিরের ভিতরে পাথর বসানো হয়েছে। স্থানীয়দের কাজে জানাজায় বেশ কয়েক বছর ধরে মন্দির চত্বরে এলাকার মানুষ ফেলতে শুরু করেছিল তাঁদের বাড়ির বর্জ্য পদার্থ। আর এতেই ঘটেছে বিপত্তি।
বেশ কিছু দিন আগে মন্দিরের পার্শ্ববর্তী এক গৃহবধূর হটাৎ করে ভর উঠতে দেখেন এলাকাবাসী। গৃহবধূর এমন অবস্থা দেখে পড়িবারের সদস্যরা তাঁকে তড়িঘড়ি কালিয়াগঞ্জ ষ্টেট জেনারেল হাসপাতাল ও পরে রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতাল সহ মালদার বিভিন্ন ডাক্তার দেখালেও ডাক্তার বাবুরা গৃহবধূর শরীরে কোনও রোগের লক্ষণ ধরতে পারেন নি বলে গৃহবধূর পড়িবারের সুত্রে জানাযায় ।
তাঁদের আরও দাবী মালদাতে চিকিৎসা চলা কালীন সময়ে ভরের মধ্যেই কথা বলতে থাকেন গৃহবধূ। কালিয়াগঞ্জের মন্দির চত্বরে এলাকাবাসীদের নোংরাআবর্জনা ফেলা নিয়ে রাগান্বিত ভাবে তা বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ভরের মধ্যে থেকেই তড়িঘড়ি মা চণ্ডীর পূজা দেওয়ার নির্দেশ দেন, তা না হলে ঘোর অমঙ্গলের সম্ভবনার কথা জানান তিনি।
সেই কথা মাথায় রেখে দেবী দূর্গার পূজো ঢাক ঢোল বাজিয়ে ধুমধামের সঙ্গে মা চণ্ডীর দূর্গার আরাধনায় মাতলেন কালিয়াগঞ্জের থানা পাড়ার বাসিন্দারা।এবছর চতুর্থ বছরে পড়লো পূূূজা।তাই এবারের দূর্গা পূজোয় কোন খামতি রাখতে চান না থানা পড়ার বাসিন্দারা।
তাই চলছে জোরকদমে প্রস্তুতি বলে জানান এলাকার বাসিন্দা মনোজ সরকার ও পী্যুুুষ সুত্রধরেরা ।এখোন শুধু সময়ের অপেক্ষা আমের বোধনের ।

