সহশ্র লোমকূপে আজ সহশ্র অভিযোগ বাযুদূষনের ফলস্বরূপ রূদ্ধ প্রবেশ দ্বার |
চুলকানি ও পাছরায় রক্ত চুঁয়ে পড়ছে অহোরাত্র |
বাজারে যা ডাক্তার ও মলম পাওয়া যায় তা সব ভেজাল |
এমতবস্থায় অতনু বাধ্য হয়ে পড়ে থাকে বিছানায় রূদ্ধ কক্ষে |
মাঝে মাঝে হৃৎপিণ্ড ও বিদ্রোহ ঘোষনা করে |
করে আঘাত শরীরে |
হয় কম্পমান ! সমস্ত শরীর রাজ্যে যতো অঙ্গপ্রতঙ্গ সব পেন ডাউন করে স্ব-স্ব কর্মক্ষেত্রে |
ক্ষনিকের জন্য স্তব্ধ হয় কায়া রাজ্য |
অশান্ত বিবেক কিছুক্ষনের জন্য শান্ত হয়ে আদেশ করে শিরা ধমনীকে |
কি ব্যাপার ? কেমন কাজ করছ তোমরা ?
খবর রাখো না কোথায় কি ঘটছে ?
শিরা ও ধমনী বলে কি বলব sir/mam সকলের একই অভিযোগ |
দিন রাত্রি অবিরাম কাজ করছি কিন্তু পাওনা হিসাবে মিলছে বিড়ির ধোঁয়া আর অ্যালকোহলের নির্যাস |
তাইশুনে ফুসফুস প্রায় বিদ্রোহ করে বলে আমার অবস্থা সব থেকে করুন |
প্রতিমিনিটে যতো কার্বন আমাকে শোধিত করতে হয় সেই দিন আর বেশী দূরে নয় আমি নিজেই কার্বনে পরিনত হবো |
পাশেই কিডনি ও লিভার বসে শুনছিল তাদের কথপোকথন |
তারাও ফুসফুসের সংগে কন্ঠ মিলিয়ে বলে ঠিক তাই আমরা আর কাজ করতে পারছি না |
এমতবস্তায় বিবেক মনকে বলে তোকে এত বেশী ভালোবাসার এই পরিনাম |
মন বলে আমি তোমাকে বলেছিলাম যে আমাকে ভালোবেসে তোমাকে বেশী উৎসব ও মেলা খেলা করতে হবে আমার মন পেতে ?
তোমার হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি , শিরা, ধমনী, কান, চোখ এদের সঠিক দেখভাল না করে আমাকে(মন) নিয়ে উৎসবে পড়ে থাকতে |
সত্যি বিবেক আজ তুমি বিবেক হীন |
তোমার শরীর আজ অচল প্রায় অতনুর মতো |
