প্রতিবেদক,হলদিয়া,
নদী, নদী, নদী সোজা যেতিস যদি সঙ্গে যেতাম তোর আমি জীবন ভোর"।
না নদী যায় না? এঁকে বেঁকে বয়ে চলে দূরের দিগন্তে।তার গ্ৰাস করে চলে তীরবর্তী গ্ৰাম গুলিকে।তাই কবি বলেছেন,"নদীর ধারে বাস দুঃখ বারোমাস"।
নদী যেন কখনই থেমে থাকে না।
কখনো উত্তাল তো কখনো নির্জন। উত্তাল নদী দিনের পর দিন গিলে খাচ্ছে,নদী তীরে অবস্থিত ফুলের মত গ্ৰাম গুলোকে।
কারণ বর্তমানে বিপন্নের পথে একাধিক ম্যানগ্ৰোভ অরণ্য।যার ফলে নদীর ভাঙন দিনে দিনে আরও বৃহত্তর রূপ নিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জনজীবন থেকে পরিবেশের ভারসাম্য।
পরিবেশের মূল চালিকাশক্তি হল গাছ।আর সেই গাছকে মানুষ নিজের স্বার্থে অবাধে কেটে চলেছে। ফলস্বরূপ মাটির ধারন ক্ষমতা হারিয়ে, ধস নামছে বিভিন্ন স্থানে।
সেজন্য নদী ধারের অধিকাংশ অঞ্চল গুলি মানচিত্র থেকে মুছে নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের মানগ্ৰোভ অরণ্যের পরিমাণ আগের থেকে অনেকটাই কমে গেছে।
এবং এভাবে চলতে থাকলে একেবারে শূন্য হয়ে যাবে,একদিন এরাজ্যের ম্যানগ্ৰোভ এর পরিমাণ।
এখন একমাত্র উপায় গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে। এবং নদী তীরে আরও ম্যানগ্ৰোভ রোপণ করতে হবে।
সেক্ষেত্রে প্রশাসন কে সঠিক নজরদারি চালাতে হবে। গাছ কাটতে দেখা গেলে শুধু জরিমানা নয় কারাবাসে বন্দি করতে হবে।
এ দৃশ্যের অনুরূপ দৃশ্য দেখতে হলে সাধারণ মানুষকে প্রথম সচেতন হতে হবে।তবে হয়তো ভবিষ্যতে ম্যানগ্ৰোভের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

