হঠাৎ গঙ্গা নদীতে জল বাড়ায় বিপদে পড়েছে বাঙ্গিটোলা অঞ্চলের মহাদেবপুর এলাকায় নদী তীরবর্তী অসংরিক্ষত এলাকার মহাদেবপুরে ৪০/৪২পরিবার।এই পরিবারগুলো বর্তমানে অথৈ জলে ভাসছে।
এদের বাড়ির ভিতর ঢুকেছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত এর তরফ থেকে এই পরিবার গুলোকে উদ্ধার করে বর্তমানে মহাদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।
বাঙ্গিটোলা অঞ্চলের প্রধান সান্তারা খাতুন স্থানীয় জয়েন্ট বিডিও
বি এম ও এইচ গ্রামে পরিদর্শনে গিয়েছিলো। গ্রামে নৌকা র ব্যবস্থা করা হয়।
এবং মহদেব্পূর প্রাইমারি স্কুলে থাকার ব্যবস্থা করা হয । আগামী কাল থেকে গ্রামে মেডিকেল টিম পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।
প্রধান জানিয়েছেন গঙ্গায় জল বেড়েছে তাই মহাদেবপুরে নদীর অসংরিক্ষত এলাকায়
জল ঢুকেছে।
পরিবারগুলোতে নদীর জল ঢুকেছে তাই আমরা তাদের সংরক্ষিত এলাকায় বাঁধের পাড়ে মহাদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে।
এদিকে নদীর জল বাড়ছে থাকায় আতঙ্ক বেরেছে মহাদেবপুর এলাকায় কিছুটা নিচে থাকা এবং না থাকায় মানুষ চরম অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে গঙ্গা তীরবর্তী এলাকায় বর্তমানে কোন বাধ নেই শুধু নদীর তির বরাবর দুই থেকে তিন ফিট উঁচু করে আছে। মহাদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা
গোপাল মন্ডল রাজু মন্ডল জানিয়েছেন ," আমাদের গ্রামর মাঝ দিয়ে শেষ বাধ তৈরী হয়েছে ।
ফলে গ্রামে অর্ধেক পরিবার নদীর ওপারে অসংরিক্ষত এলাকায় আছে। গ্রামের ৪০/৪২ টি পরিবার এই অসুবিধা তে আছে । আমরা এখন বেশকিছু পরিবার মহাদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আছি ।" বাঙ্গীটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতে র প্রধান সান্তারা খাতুন জানান, গতকাল খুব বেশি জল বাড়লেও আজ জল দাড়িয়ে আছে।জল বাঁধের গোরায় থাকায় আতঙ্ক রয়েছে ।
তবে পঞ্চায়েত যে কোন ধরনের সঙ্কটের মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে ।স্হানীয় বিডিও সঞ্জয় ঘিষিং জানান ," জল বাড়লেও আতঙ্কের কিছু নাই । সেচ দপ্তরের সঙ্গে কথা বলেছি । আমরা একটি ত্রান শিবিরের আয়োজন করেছি। আগামী কাল থেকে মেডিক্যাল টিম এলাকায় যাবে ।"
কালিয়াচক ২ নং ব্লকের বি এম ও এইচ ডা কৌশিক মিস্ত্রি জানান আমি নিজে এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি দেখে এসেছি ।
আগামী কাল থেকে গ্রামে যেন রোগ ছড়াতে না পারে তার জন্য আমরা প্রতিদিন মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে ।
