উঃ দিনাজপুর,
হাতে আর কয়েক দিন বাকি তার পরেই মেতে উঠবেন আপাল বৃদ্ধ বনিতা শারদ উৎসবে।তাই এখন চরম ব্যস্ততা প্রতিটি পূজা মণ্ডপে।
তারি মধ্যে যেসব বনেদী বাড়ি সড় পূরনো পূজা রয়েছে রাত ঐতিয্য আলাদা মাত্রায় থাকে।তেমনি এক পূরনো পূজো উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ ব্লকের কাকড়শিং এলাকার দূর্গা পূজো।
প্রতি ব্যরারের ন্যয় এবারেও নিয়ম মেনেই শুরু হয়েছে পূজো প্রস্তুতি। যেলায় যেসব পূরনো পূজো রয়েছে তার মধ্যে একটি পূজো এই পূজো। আমরা সবাই জানি দেবী দূর্গা দশ ভূজা কিন্তু এখান কার দেবী দূর্গা একটু ভিন্ন।
এখান কার দেবী দূর্গা চতুর ভূজা এবং উৎমাই চন্ডী হিসাবে পূজিত হয়।
স্থানীয় লোকেদের মূখে জানাযায় বাংলাদেশের রাজসাহী জমিদারেরা এই পূজোর প্রচোলন করেছিলেন প্রায় ৪০০ বছর আগে।
দেশ ভাগের আগে সাথে সাথে জমিদারের এখান কার লোকেদের পূজোর দায়িত্ব দিয়ে যান।এক সময় এই এলাকা জুড়ে ছিল ঘন জঙ্গল সময়ের সাথে এখন এখানে দেবী উৎমাই চন্ডী পাকা মন্দির স্থাপন হয়েছে।মায়ের নামে নিজেস্ব ৭-৮ বিঘা জমি রয়েছে।
সেখানে সারা বছর চাষ আবাদ করে এবং সাধারন মানুষের সাহায্যে পূজো হয়। মায়েরা পাঁচ বোন পাঁচ বোন পাঁচ জায়গায় আছেন তাঁদের মধ্যে এক বোন হল উৎমাই চন্ডী। শধু তাই নয় দেবীদের পাঁচ বোনের যে পরিবার রয়েছে তাঁদের নামে মন্দির এলাকায় ১৯টি থান রয়েছে সেখানেও পূজো হয় বলে জানান মন্দিরের সহ সভাপতি তথা নিত্য দিনের পূজারী গুনধর দেনশর্মা ।
পূজোর চার দিন গোটা গ্রাম জুড়ে চলে নিরাশি ভোজন।অষ্টমীর ভোরে মন্দিরে ছাগ বলি হয়।
এই মায়ের ঐতিয্য এতটাই যে সাধারন মানুষ যে যার মনস্কামনা নিয়ে আসে মা উৎমাই চন্ডী তা পূরন করেন বলে জানান গ্রামবাসী অনিল দেবশর্মা।
নবমীর দিন মহা খিচুরি ভোগের আয়োজন করা হয়।দশমিতে মিষ্টি মূক করানোর পরে বিসর্জন দেওয়া হলেও দেবী মূর্তি মন্দিরে থাকে ।
কারন দূর্গা পূজো ছড়াও মন্দিরে দুই বার পূজো হয় একতি পূজো দশমির পরে অষ্টমঙ্গলা পূজো হয় এবং চৈত্র মাসে বাসন্তী রুপে এই প্রতিমাতেই পূজো হয়ে আচ্ছে।আবার দূর্গা পূজোর আগে নিয়ম অনুসারে বিসর্জন দেওয়া হয়।
এই পূজোর সময় পূজো মণ্ডপ এলাকায় মেলা বসে।শুধু উত্তর দিনাজপুর জেলা নয় এই পূজোর সময় আশে পাশে জেলা সহ কোলকাতা ও বিভিন্ন রাজ্য থেকে লোকেরা নিজেদের পূজো দিতে আসেন এবং নিজেদের মনস্কামনা নিয়ে আসেন।মা উৎমাই চন্ডী কাউকে খালি হাতে পাঠায় না বলে জানান ভুটকু বর্মন।
তাই এখন মা উৎমাই চন্ডী পজোকে ঘিরে এখোন সাজো সাজো।কারন একটাই আর কয়েক দিন পরেই মায়ের বোধন হতে চলেছে।

