বারুইপুর ,দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ;---
বিবাহের পর থেকেই পনের দাবিতে গৃহবধুর উপর চলতো শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার।
অভিযোগ, যার জেরে গৃহবধুকে শ্বাসরোধ করে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। মৃতার নাম দিপিকা হালদার(১৮)।
ঘটনাটি ঘটে বারুইপুর থানার ধপধপি মিস্ত্রি পাড়ায়। এর জেরে মৃতার বাবা বাদল খাটুয়া বারুইপুর থানায় জামাই দিবাকর হালদার, শ্বশুর বাদল হালদার,শাশুড়ি মাধবি হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।
পুলিস ঘটনার তদন্তে নেমে জামাই দিবাকর হালদার কে গ্রেপ্তার করেছে। এদিকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।
ধৃত কে রবিবার দুপুরে বারুইপুর আদালতে তোলা হয়। পুলিস জানায়,চার বছর আগে উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাটের বাসিন্দা বাদল খাটুয়ার মেয়ে দিপিকার সাথে প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল বারুইপুরের ধপধপির দিবাকর হালদারের।
দিবাকর পেশায় ভ্যান চালক। বাদল খাটুয়ার অভিযোগ,জামাই বিয়ের পর অতিরক্ত পনের জন্য মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করতো। জামাইকে এর পরও ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল ভ্যান কেনার জন্য।
জামাইয়ের পাশাপাশি শ্বশুর,শাশুড়ি ও মারধোর করতো। শনিবার সন্ধের পর মারধোর করে আমাদের মেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে ঝুলিয়ে দেয় জামাই সহ তার বাড়ির লোকেরা।
আমাদের রবিবার সকালে খবর দেওয়া হয় মেয়ে আত্ম হত্যা করেছে। আমরা জামাইয়ের শাস্তি চাই।
--
