তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম প্রধানের এবং উপপ্রধানের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আর্থিক নয় পঞ্চায়েত প্রধান এবং উপপ্রধান এর বিরুদ্ধে উন্নয়ছয়ের অভিযোগে সরব হলো ওই দলেরই একাংশ।
এই অভিযোগ উঠল উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর এক ব্লকের ধরমপুর দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।
অভিযোগ জানিয়েও কোনো কাজ না হওয়ায় অবশেষে তথ্য জানার অধিকার আইনে আবেদন জানাল এলাকার বাসিন্দারা।
এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অভিযোগ, ওই এলাকায় লক্ষ লক্ষ টাকা উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ হলেও কোন খাতে তা খরচ না দেখিয়ে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর জন্য তথ্য জানার আইনে আবেদন জানিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।
ফলে এলাকা জুড়ে লাগাতার আন্দোলনে নামতে চলেছে এলাকাবাসী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ। এলাকার বাসিন্দা তথা প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি নুর আলম জানান, এলাকায় কোনো উন্নয়ন দেখা যাচ্ছে না। কোনো কাজ হচ্ছে না।
এমনকি মহাত্মা গান্ধী জাতীয় কর্মনিশ্চয়তা প্রকল্পে লক্ষ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলেও একদিকে যেমন কোন রাস্তার কাজ হয়নি তেমনি মাটি ফেলারক কাজ হয়নি। এই অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতে জানালে তারা বরং কোনো তথ্য সরবরাহ না করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এমনকি তথ্য জানার আইনের সাহায্য নিয়েও আদৌ কোনো লাভ হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের ধারাকে এভাবে তারা ব্যাহত করছে।
অবিলম্বে তারা অর্থাৎ নুর আলমের মতন তৃণমূল কর্মী আজাদ হোসেন কিংবা আশিক আলমসহ এমন অনেকেই রয়েছেন যারা ইতিমধ্যেই তথ্য জানার অধিকারে আবেদন জানিয়েও কোনো প্রতিক্রিয়া জানতে পারেননি সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে।
আর তাই তারা এবার লাগাতার আন্দোলনে সরব হচ্ছেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। যদিও গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মহম্মদ তসলিমউদ্দিন জানান, এরকম অভিযোগ একদম ঠিক নয়।
আমরা পরিষেবা দিতেই বসেছি ধমক দিতে বসিনি। আর তথ্য জানার অধিকার আইনে যদি আবেদন করেই থাকে, যার কাছে করেছিল সে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে গেছে।
তাই বিষয়টি জানার পর বলা যাবে।
