উঃ দিনাজপুর,
অসম্ভব কাজ কে সম্ভব করে দেখালো এক চশমা দোকানদার। এবারে দূর্গা পূজায় সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দূর্গা প্রতিমা তৈরী করে গ্রীনিচ বুকে নাম ওঠানোর অপেক্ষারত শিল্পী মানস রায়।
উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের বীরনগরের বাসিন্দা মানস রায়। স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে বসবাস তার রায়গঞ্জে।
তার এমন দক্ষতা নজর কেড়েছে রায়গঞ্জবাসীর।
স্ত্রী ও কন্যা কে নিয়ে রায়গঞ্জের বীরনগর মানস বাবুর জেলার করনদিঘীতে চশমার একটি দোকান রয়েছে তার। চশমার ব্যাবসার পাশাপাশি মুর্তি তৈরীরও কাজ করেন তিনি।
বিভিন্ন ধরনের মুর্তির তৈরীর পর গত এক বছর ধরে ক্ষুদ্রতম প্রতিমা তৈরীর কাজ শুরু করেন। বর্তমানে ১/২ সেন্টিমিটারের মুর্তি বানিয়ে ফেলেছেন মানস বাবু।
মাটি এবং খড় এবং আঠা দিয়েই এই মুর্তি তৈরী করেন, পরে রং করা হয়। এই ক্ষুদ্র কাজ তিনি করেন কোন আতসকাঁচ ব্যাবহার না করেই। এক একটি মুর্তি তৈরীতে সময় লাগে প্রায় ৫ - ৬ ঘন্টা। দূর্গা,লক্ষ্মী, সরস্বতি, কার্তিক, গনেশ ইতিমধ্যেই তৈরী করে ফেলেছেন মানসবাবু।
আবেদন করেছেন গ্রীনিচ বুকে।
মানসবাবু বলেন, ইচ্ছে ছিল কিছু করে দেখানোর তাই ১/২ সেমির প্রতিমা বানিয়ে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যে ইচ্ছে থাকলে সবই সম্ভব।
তিনি বলেন, গ্রীনিচ বুকে আবেদন করেছি, ওরা ছবি চেয়ে পাঠিয়েছে। অপেক্ষায় আছি।
মেয়ে সোহিনী রায় বলেন, খুব ভাল লাগে যে বাবা এমন কাজ করে, গর্ব বোধ হয়।
আশা করি বাবা তার কাজের সন্মান পাবেন।


