বারুইপুরে হাসপাতালে মদ্যপ যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে আক্রান্ত বারুইপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর, গুরতর চোট নিয়ে নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন, ৯ জন গ্রেপ্তার,




নিজস্ব প্রতিবেদক, 

বারুইপুরে হাসপাতালে মদ্যপ যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে আক্রান্ত বারুইপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর, গুরতর চোট নিয়ে নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন, ৯ জন গ্রেপ্তার।

  বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালের মধ্যে মদ্যপ অবস্তায় যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে মদ্যপ যুবকদের হাতে আক্রান্ত হলেন বারুইপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর দীপঙ্কর দাস। 




অভিযোগ,পুলিসের লাঠি কেড়ে নিয়ে পিছন মাথায় আঘাত করে মাটিতে ফেলে তাঁর মুখে এলোপাথারি কিল ঘুসি মারে মদ্যপ যুবকরা। 

পাশে থাকা সহপুলিস কর্মীরা রক্তাক্ত অবস্তায় পুলিস অফিসার কে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। 

চোখের নিচে ও মুখ মারাত্মক ভাবে ফুলে যায় সাব ইন্সপেক্টর দীপঙ্কর দাসের।

 ঘটনার খবর পেয়েই বারুইপুর এস ডিপিও অভিষেক মজুমদার,বারুইপুর থানার আই সি দেবকুমার রায়ের নেতৃত্বে বিশাল পুলিস বাহিনি হাসপাতালে পৌঁছে লাঠি উঁচিয়ে মদ্যপ যুবকদের ছত্রখান করে সাথে সাথেই হাতে নাতে ৮ জন কে গ্রেপ্তার করে। 

পরে রাতে আরও একজন কে ধরা হয়। ধৃত ৯ জনকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বারুইপুর আদালতে তোলা হয়।

 এর জেরে বুধবার রাতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় বারুইপুর হাসপাতাল চত্বরে। 

হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রে চিকিৎসকরা আতঙ্কের মধ্যে থাকে। রোগীদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়ায়। হাসপাতালে রাতে উত্তেজনা থাকায় পুলিস থাকতে হয়। 

ঘটনার জেরে পুলিস হাসপাতাল চত্বর থেকে একটি মারুতি সহ বাইক বাজেয়াপ্ত করে।

 ঘটনার সুত্র পাত্র বুধবার রাত ৮ টার পরে বারুইপুর কাছারি বাজার সংলগ্ন বাইপাসে হরিহরপুর পঞ্চায়েতের যোগীবটলার শাজাহান লস্করদের সাথে খোদারবাজারের হিরা শেখের দলবলের মধ্যে বচসা থেকে সংঘর্ষ হয়।

 উভয় দলই মদ্যপ অবস্তায় ছিল। সেই সংঘর্ষ জড়ায় মল্লিকপুর কাজিপাড়ার আব্দুল সালামদের দলবল। উভয় পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষে আহত হয় ৫ থেকে ৬ জন। ধারালো অস্ত্র,কাঁচের বোতল নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা চালায়।

 এই গণ্ডগোলের জেরে আব্দুল সালাম তার ছেলে শেখ হায়দর কে নিয়ে রাত ১০ টার পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে এলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনেই অপর গোষ্ঠীর সাথে ব্যাপক মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। 

হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরাও আতঙ্কে মধ্যে পড়ে।

 তাঁদের চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়। হাসপাতালের দায়িত্বরত সিভিক পুলিস গণ্ডগোল থামাতে গেলে সিভিক পুলিসদের মার খেতে হয় মদ্যপ যুবকদের কাছে। 

হাসপাতালের ভেত্র উত্তেজনার খবর পেয়ে বারুইপুর থানার পুলিস এসে অভিযুক্ত মদ্যপ যুবকদের লাঠি উঁচিয়ে ছত্র খান করে। 

অনেককে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর আবার ১১-৩০ টার পর মদ্যপ অবস্তায় একদল যুবক মারুতি নিয়ে হাসপাতালে ঢুকে আব্দুস সালামদের মারধোর শুরু করে। ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।

 মুহূর্তের মধ্যে আবার খবর পেয়ে বারুইপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর দীপঙ্কর দাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিস বাহিনি হাসপাতালে আসে। সাব ইন্সপেক্টর দীপঙ্কর বাবু লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে গেলে মদ্যপ যুবকরা তাঁকে ঘিরে ধরে লাঠি কেড়ে নিয়ে পিছন থেকে মাথায় আঘাত করে। 

মাটিতে ফেলে দিয়ে তাঁর মুখে এলোপাথারি কিল ঘুসি মারা হয়।পরে পুলিস লাঠি উঁচিয়ে তাঁদের ছত্র খান করে। বিশাল পুলিস বাহিনি ঘটনাস্থলে চলে আসে।নামানো হয় র‍্যাফ। --

AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com
⏳ নিউজ লোড হচ্ছে...