এবি বঙ্গনিউজ।
আজ শিক্ষক দিবস,সারা দেশের সাথে এরাজ্যে ও যথাযথ মর্যাদার সহিত এই শিক্ষক দিবস পালিত হবে, কিন্তু এই শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কলকাতার রাজপথে নেমে মহামিছিলে হাঁটতে চলেছে রাজ্যের বেশকিছু শিক্ষক মহল।
কেন এই মিছিল?বা কেন শিক্ষক দিবসের দিন এই মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে?
সারা রাজ্যে কয়েক হাজার এসএসকে,এমএসকে, শিক্ষক সুপার ভাইজার, পঞ্চায়েত,মাদ্রাসা ও পুরসভার শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে র উপর পুলিশী নির্যাতন এবং গ্রেপ্তারি , বিভিন্ন কেশ দেওয়া ,সহ শিক্ষিকাদের শ্লীলতাহানী, প্রভৃতির প্রতিবাদে আজ এই মিছিল।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ড,সর্বোপল্লী রাধাকৃষ্ণান জন্মদিন অর্থাৎ জাতীয় শিক্ষক দিবসে কেন এই মহামিছিলের ডাক?
উল্লেখ্য গত ২৪ জুন রাজ্যেরপ্রাথমিক শিক্ষকদের উপর জলকামান ও গ্রেপ্তারি, ১৬ আগস্ট পার্শ্ব শিক্ষকদের আন্দোলনের উপর পুলিশের হামলা, ১৭ আগস্ট কল্যাণীতে আলো নিভিয়ে পার্শ্ব শিক্ষক শিক্ষিকাদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ, মহিলা শিক্ষিকাদের উপরে শ্লীলতাহানি সহ, এবং গত ৯ই আগস্ট শিক্ষাবন্ধুদের বিকাশ ভবনে ডেপুটেশন আন্দোলনে পুলিশের আক্রমণ ও গ্রেপ্তার।
,
এছাড়াও কম্পিউটার শিক্ষক ও বৃত্তিমূলক শিক্ষকদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও গ্রেপ্তাররের প্রতিবাদে পথে নামতে চলেছে শিক্ষক মহল।
আজকের এই মহামিছিল টি শিয়ালদা স্টেশন থেকে শুরু করে ধর্মতলায় শেষ হবে।
আজকের এই মহামিছিলে হেঁটে রাজ্যের শিক্ষক মহল প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে নিজেদের ,বেতন বৈষম্য সহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দাববীকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এই মিছিলে শিক্ষক মহল হাঁটতে বদ্ধপরিকর।
আজ শিক্ষক দিবসে কলকাতার রাজপথে নেমে বিভিন্ন শিক্ষকদের ও শিক্ষাবন্ধুদের প্রতিবাদ মিছিল যেমন রাজ্য সরকারের কাছে অস্বস্তিকর, তেমনিভাবে সাধারণ জনমানসে একটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে।
আজকের এই মহামিছিল প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নেতা শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মইদুল ইসলাম বলেন যে, রাজ্যের শিক্ষক শিক্ষিকাদের, শিক্ষা বন্ধুদের উপর শুধু পুলিশের নির্যাতন , জলকামান ব্যবহার ও মিথ্যা কেন দেওয়ার ও গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে এই মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়নি।
সঙ্গে গণতান্ত্রিক শিক্ষক আন্দোলনের চাপে পড়ে সরকার যে সমস্ত ঘোষণা করেছে এবং নির্দেশ জারি করেছে সেগুলি কার্যকর করছে না।
্এবং বঞ্চনার প্রতিবাদে,বা এস এস কে ,এম এস কে, ভোকেশনাল শিক্ষক ও শিক্ষাবন্ধুদের বেতন বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এই মহামিছিলের মধ্যে সংঘটিত হবে।
শিক্ষা বন্ধু যৌথ মঞ্চের নেতা নন্দদুলাল দাস এক প্রশ্নের জবাবে বলেন ,সর্বশিক্ষা মিশন গঠিত হয়েছিল দেশের নিরক্ষরতা দূরীকরণ করার জন্যে, পরবর্তীতে সমগ্ৰ শিক্ষা অভিযানে শিক্ষা ব্যবস্থা গ্ৰাসরুট পর্যায় থেকে যাদের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর শীল, সেই শিক্ষাবন্ধুরা ই সবথেকে বঞ্চিত,।
একজন অষ্টম শ্রেণীর মান গ্ৰুপ ডি পর্যায়ের কর্মীর বেতনের থেকে ও একজন স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষাবর্ষের বেতন কম।
এই বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জেলা ও সরকারি সর্বোচ্চ অফিসে বারবার আবেদন নিবেদন জানিয়ে ছিলাম, কোনো সুরাহা হয়নি যার ফলে আমরা এই প্রতিবাদে র রাস্তায় নামতে বাধ্য হলাম।






