মানিকচক থানার ভগবানপুর এর ছোট্ট দুটি মেয়ের ভরসা একমাত্র ভগবান ।




মালদা ১৫ সেপ্টেম্বর ঃ 

মানিকচক থানার ভগবানপুর এর ছোট্ট দুটি মেয়ের ভরসা একমাত্র ভগবান ।ভগবানের মায়া খেলায় গত দু'বছরের মা বাবাকে হারিয়েছে ছোট্ট দুটি মেয়ে দেবী ও পার্বতী। 
মরা বাবা মায়ের দেওয়া নামেই হয়তোবা তুষ্ট হয়েছেন ভগবান ।আর তাই শুধুমাত্র ভগবানের কৃপায় পৃথিবীতে টিকে আছে ছোট্ট দুটি প্রাণ। 

সত্যিই ভগবানই ভরসা। কারণ সরকারি সাহায্য তো মেলেনি ।প্রশাসনের কোন কর্তা ব্যক্তি ও চোখ তুলে তাকায়নি এই দুই অসহায় বোনের দিকে ।বাবা নগেন মাঝি দিনমজুরের কাজ করতেন। ভিন রাজ্যে ও যেতেন কাজের সন্ধানে।

 ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে এক দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলেন নগেন। তারপর থেকে চরম অসুস্থ। গত দুবছর আগে মৃত্যু হলো তার। এ কি দশা হয় মা চঞ্চলা মাঝিরও। 

চরম অসুস্থ হয়ে গত এক বছর আগে তার মৃত্যু হয়। মা বাবাকে হারিয়ে অনাথ অসহায় হয়ে পড়ে দুই বোন দেবী ও পার্বতী ।

সাত কুলে আর কেউ নেই। তাদের তারপর থেকেই চলছে বেঁচে থাকার লড়াই । কায়িক পরিশ্রম করার সামর্থ্য নাই ছোট্ট দুই বোনের ।




তাই ভিক্ষে করেই পেট চালাতে হয় তাদের। বড় বোন দেবী মাঝি অষ্টম শ্রেণীর ও ছোট বোন পার্বতী মাঝি পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ।দুজনেই কালিন্দী হাই স্কুলে পড়ে। ক্লাস নাইনে উঠলে তবে জুটবে সরকারি সাইকেল। 

তাই বাড়ি থেকে স্কুল তিন কিলোমিটারের বেশি পথ পায়ে হেঁটেই যেতে হয় তাদের। খাবারের ব্যবস্থা করতে না পারলে দুই বোনে ছোটে স্কুলের দিকে। 

কারণ তখন একমাত্র ভরসা মিড ডে মিল । মানিকচক থানার চৌকির মিরজাতপুর অঞ্চলের ভগবানপুর তাদের বাড়ি। টালির ছাদের ছোট্ট একটা মাটির ঘর। বাড়ি গিয়ে দেখা গেল দুই বোনই বাড়িতে নেই। 
একটু পরেই দুই বোনই মাথায় বড় মাটির ঢিপি নিয়ে হাজির। মাটি কি করবে জানতে চাওয়ায় তারা জানাই মাটির ঘরে অনেক ফাটল ধরেছে। 

সেই ফাটল ভরাতে লাগবে মাটি। সাংবাদিকদের ক্যামেরা আলো দেখে কিছুটা ভ্যাবাচ্যাকা খায় দুই বোনই। একটু ভয় ভয় পেলেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর টা ছিল দৃপ্ত কন্ঠে র। 

উত্তর গুলো ছিল একেবারে কঠোর মনের। হয়তো পরিস্থিতি তাদের কঠোর করে তুলেছে ।ইচ্ছে করেনা অন্যান্য ছেলেদের মতো খেলে বেড়াতে। উত্তর বড় বোনের, কি করবো কষ্ট করতেই হবে। 

বাবা মা যে নেই ।সরকারি কোন সাহায্য মিলেছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় পাড়া-পড়শিরায় ভরসা। কয়েকজন সরকারি বাবু এসেছিলেন তাদের দেখতে। কিন্তু তারপর থেকে কোনো খবর নেই। 

খবর পেয়ে বিশিষ্ট শিক্ষক ও সমাজসেবী সুনন্দ মজুমদার হাজির হন তাদের বাড়ি। নতুন জামাকাপড় ও কিছু আর্থিক সাহায্য করেন তিনি ।স্কুলে যাবার জন্য সাইকেলের ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দেন সুনন্দ বাবু ।

সরকারি সাহায্যের ঢোল পড়েছে গোটা রাজ্য জুড়ে। কোথায় কেন্দ্রের সবকা সাথ সবকা বিকাশ কর্মসূচি।

 বেটি পড়াও বেটি বাঁচাও কর্মসূচি অসহায় দুই বোনের কাছে যেন মুখ থুবরে পড়েছে। কবে জুটবে সরকারি সাহায্য? কবে দুবেলা খাবার এর জন্য ভিক্ষা করতে হবে না দুই বোনকে? 

দেখা যাক অনাথ এই দুই বোনের দিকে কবে সরকার মুখ তুলে তাকায়। গত দু'বছরের মা বাবাকে হারিয়েছে ছোট্ট দুটি মেয়ে দেবী ও পার্বতী। মরা বাবা মায়ের দেওয়া নামেই হয়তোবা তুষ্ট হয়েছেন ভগবান ।

আর তাই শুধুমাত্র ভগবানের কৃপায় পৃথিবীতে টিকে আছে ছোট্ট দুটি প্রাণ। সত্যিই ভগবানই ভরসা। কারণ সরকারি সাহায্য তো মেলেনি ।

প্রশাসনের কোন কর্তা ব্যক্তি ও চোখ তুলে তাকায়নি এই দুই অসহায় বোনের দিকে ।বাবা নগেন মাঝি দিনমজুরের কাজ করতেন। ভিন রাজ্যে ও যেতেন কাজের সন্ধানে। 

ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে এক দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলেন নগেন। তারপর থেকে চরম অসুস্থ। গত দুবছর আগে মৃত্যু হলো তার। এ কি দশা হয় মা চঞ্চলা মাঝিরও। চরম অসুস্থ হয়ে গত এক বছর আগে তার মৃত্যু হয়।


 মা বাবাকে হারিয়ে অনাথ অসহায় হয়ে পড়ে দুই বোন দেবী ও পার্বতী ।সাত কুলে আর কেউ নেই। তাদের তারপর থেকেই চলছে বেঁচে থাকার লড়াই । কায়িক পরিশ্রম করার সামর্থ্য নাই ছোট্ট দুই বোনের ।তাই ভিক্ষে করেই পেট চালাতে হয় তাদের। 

বড় বোন দেবী মাঝি অষ্টম শ্রেণীর ও ছোট বোন পার্বতী মাঝি পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ।দুজনেই কালিন্দী হাই স্কুলে পড়ে। ক্লাস নাইনে উঠলে তবে জুটবে সরকারি সাইকেল।

 তাই বাড়ি থেকে স্কুল তিন কিলোমিটারের বেশি পথ পায়ে হেঁটেই যেতে হয় তাদের। খাবারের ব্যবস্থা করতে না পারলে দুই বোনে ছোটে স্কুলের দিকে। কারণ তখন একমাত্র ভরসা মিড ডে মিল ।

 মানিকচক থানার চৌকির মিরজাতপুর অঞ্চলের ভগবানপুর তাদের বাড়ি। টালির ছাদের ছোট্ট একটা মাটির ঘর। 

 বাড়ি গিয়ে দেখা গেল দুই বোনই বাড়িতে নেই। একটু পরেই দুই বোনই মাথায় বড় মাটির ঢিপি নিয়ে হাজির। মাটি কি করবে জানতে চাওয়ায় তারা জানাই মাটির ঘরে অনেক ফাটল ধরেছে। 

সেই ফাটল ভরাতে লাগবে মাটি। সাংবাদিকদের ক্যামেরা আলো দেখে কিছুটা ভ্যাবাচ্যাকা খায় দুই বোনই। একটু ভয় ভয় পেলেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর টা ছিল দৃপ্ত কন্ঠে র। 

উত্তর গুলো ছিল একেবারে কঠোর মনের। হয়তো পরিস্থিতি তাদের কঠোর করে তুলেছে ।

ইচ্ছে করেনা অন্যান্য ছেলেদের মতো খেলে বেড়াতে। উত্তর বড় বোনের, কি করবো কষ্ট করতেই হবে। বাবা মা যে নেই ।সরকারি কোন সাহায্য মিলেছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় পাড়া-পড়শিরায় ভরসা। কয়েকজন সরকারি বাবু এসেছিলেন তাদের দেখতে। কিন্তু তারপর থেকে কোনো খবর নেই।

 খবর পেয়ে বিশিষ্ট শিক্ষক ও সমাজসেবী সুনন্দ মজুমদার হাজির হন তাদের বাড়ি। নতুন জামাকাপড় ও কিছু আর্থিক সাহায্য করেন তিনি ।

স্কুলে যাবার জন্য সাইকেলের ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দেন সুনন্দ বাবু ।সরকারি সাহায্যের ঢোল পড়েছে গোটা রাজ্য জুড়ে। কোথায় কেন্দ্রের সবকা সাথ সবকা বিকাশ কর্মসূচি। 

বেটি পড়াও বেটি বাঁচাও কর্মসূচি অসহায় দুই বোনের কাছে যেন মুখ থুবরে পড়েছে। কবে জুটবে সরকারি সাহায্য?

 কবে দুবেলা খাবার এর জন্য ভিক্ষা করতে হবে না দুই বোনকে? দেখা যাক অনাথ এই দুই বোনের দিকে কবে সরকার মুখ তুলে তাকায়।

AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com
⏳ নিউজ লোড হচ্ছে...