এবি বঙ্গনিউজ, উঃ দিনাজপুর।
বীরাঙ্গনা কন্যাশ্রীরা যেভাবে সাহসীকতার পরিচয় দিয়ে নিজেদের বিয়ে বন্ধ করে নজর কেড়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লকে ।
এই বিরঙ্গনা কন্যাশ্রী ছাত্রীদের আরো বেশি করে উদ্বত্য করতে আজ উত্তর দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমার কালিয়াগঞ্জের মিলন ময়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকের ভূমিকায় দেখা গেল।
এদিন পুলিশ সুপার সুমিত কুমার ছাত্রীদের সাথে আলোচনা করেন যে ১৮ বছর কম বয়সে কিংনা,বাল্য বিবাহ হলে কি ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
তার সাথে সাথে যদি কারো বাবা মা তার মেয়েদের বিয়ে দেয় তাদের কি করনীয় তাও যেমন বোঝানো হয়। এবং এখোন রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ছাত্রীদের পড়ার শুনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেছে সবুজ সাথী থেকে শুরু করে কন্যাশ্রী,রুপশ্রী মত প্রকল্প। যা দুস্থ্য পরিবারের মা বাবাদের মেয়ের বিয়ে দিতে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সাহায্য করছে।
এই সব কারনে এখোন মেয়েরা অনেকটা সাহসী হয়েছে। তাই তারা এখোন নিজেদের বাল্য বিবাহ বব্ধ করে স্কুলের ব্যাগ নিয়ে স্কুলের পথে এগিয়ে চলেছে শিক্ষার জন্য।
এদিনের
সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার সুমিত কুমার
ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা লাবনী চ্যাটার্জি, কালিয়াগঞ্জ থানা ইনচার্য তথাডিএসপিশ্রীমন্তবন্ধ্যোপাধ্যায়,পুরসভার পুরপ্রধান কার্তিক চন্দ্র পাল,জেলা চাইল্ড লাইনের বিপুল দাস সহ বিশিষ্ট জনেরা।
এদিন গ্রামের বিরঙ্গনা কন্যাশ্রীরা যেভাবে নিজের বিয়ে বন্ধ করে নজিড় গড়েছিল তাদের পুলিশ সুপার সুমিত কুমার তিন কন্যাশ্রীকে সাহসীকতার জন্য পুরস্কৃত করেন এবং শহরে মেয়েদের উদাহরন দেন তোমাদেরো এই ভাবে এগিয়ে আসতে হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে।

