নিজের বিয়ে ভেঙে পরীক্ষা দিতে গেল নবম শ্রেনীর নাবালিকা ছাত্রী ।




নিজস্ব সংবাদদাতা । 

 এবি বঙ্গনিউজ, উঃ, দিনাজপুর। 

 রাজ্যের কন্যাশ্রী প্রকল্পের সুফল বিয়ের দিন নিজের বিয়ে ভেঙে পরীক্ষা দিতে গেল নবম শ্রেনীর নাবালিকা ছাত্রী । উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার মাঝিয়ালি অঞ্চলের গোয়ালটলি গ্রামের বাসিন্দা প্রফুল্ল সিংহ তার নাবালিকা নাবালিকা মেয়ে সামাজিক মতে বিয়ে ঠিক করেন। সে মাঝিয়ালি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীতে পড়ারশুনা করে। 
 তার আগেই সাহস দেখিয়ে বিবাহ নয় শিক্ষা চাই, এই স্লোগানকে সামনে রেখে স্কুলে গিয়ে শিক্ষকদের জানিয়ে দেন তার বাবা তার বিয়ে ঠিক করেছেন। কিন্তু সে কোনমতেই কম বয়সে বিয়ে করতে রাজি নয়। স্কুলের শিক্ষকরাও তার কথা শুনে, সাহস যোগান। এবং তারা তার পরিবারে এসে তার বাবা মা কে বোঝান। 
কিন্তু সেই বোঝানে তেমন ফল হয়নি। মেয়ের বাবা জানান তার দিনমজুর পরিবারে চারটা মেয়ে। তাই একটি মেয়ের বিয়ে দিয়ে সংসারের বোঝা কমানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নাবালিকা তার বাবার মত উপেক্ষা করে কোনমতেই সে বিয়ে করবেনা বলে ঘোষণা করেন। শুধু তাই নয় বিয়ের দিনেই সে তার নিজের বিয়ে নিজেই ভেঙে দিয়ে স্কুলে পরীক্ষা দিতে জান। নাবালিকা জানান সে আরো পড়তে চায় এবং ভালো পড়াশোনা করে সে একজন ডাক্তার হতে চায়।এদিন তার পরিবারের লোকেদের বোঝানো হয় কম বয়সী বিয়ে দিলে কি ধরনে সমস্যা হতে পারে। 

এবং রাজ্য সরকার কন্যাশ্রী যুবশ্রী সহ নানা প্রকল্প রয়েছে রাজ্যে। এদিকে বিষটি জানাজানি হতেই এলাকায় আলোড়ন ছড়ায়।নাবালিকার সাহসিকতার কথা জানতে পেরে তার পাশে এসে দারান চোপড়া থানার পুলিশকর্মী বাপন দাস। তিনি তার পরিবারের লোকেদের সাথে কথা বলেন। পড়া শুনা খরচ বাবদ মেয়েটির হাতে একটি চেক এবং একটি কলম তুলে দিয়ে তার সাহসের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাকে তার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বলেন। বাপন দাস জানান, সুষমার মত আমি মনে করি অন্যান্য মেয়ে রাও যাতে বাল্য বিবাহের প্রতিবাদ করে। মেয়ের বাবা প্রফুল্ল সিংহ জানান, অভাবের সংসারে তার চারটি মেয়ে থাকার কারণেই তিনি তার নাবালিকা মেয়ে সুষমার বিয়ে ঠিক করেছিলেন। কিন্তু মেয়ের প্রতিবাদে তার ভুল ভেঙে হার মেনেছে।

AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com
⏳ নিউজ লোড হচ্ছে...