এবি বঙ্গনিউজ,উঃ, দিনাজপুর।
বিধবা বৌদির টাকা আত্মসাৎ করে তাকে খুন করে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠল দেওরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলা থানার রানীগঞ্জ এলাকায়।
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মৃতার নাম সান্তনা সিংহ ( ৩০) । পুলিশ গ্রেফতার করেছে মৃতার দেওর রাকেশ সিংহকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকে দোষীর চরমতম শাস্তির দাবি তোলা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডালখোলা থানার রানীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা উদয় সিংহের সাথে বিয়ে হয় সান্তনা সিংহের।
বিয়ের দুবছরের মধ্যেই রোগে মৃত্যু হয় স্বামী উদয় সিংহের। সূত্রের খবর উদয় সিংহের রেখে যাওয়া প্রায় ৯০ লক্ষ টাকার মালিক হন মৃত উদয় সিংহের বিধবা স্ত্রী সান্তনা।
সেই টাকা আত্মসাৎ করার জন্য উদয়বাবুর ভাই সান্তনার দেওর রাকেশ সিং নানান প্রলোভন দেখায়। প্রলোভনে পা দিয়ে বিধবা বৌদি সান্তনাকে নিজের কাছে রাখে রাকেশ৷
এরপর টাকা আদায়ের জন্য সান্তনার উপর শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার। সান্তনা দেবীর ভাই মঙ্গল সিংহ অভিযোগ করে বলেন মাঝেমধ্যেই ব্যাপক মারধর দিয়ে টাকা তুলে নিত রাকেশ।
অভিযোগ রবিবার রানীগঞ্জ থেকে ডালখোলা গিয়েছিলেন সান্তনা দেবী। সেখান থেকে ফেরার পথে রাস্তার ধারে একটি জঙ্গলে সান্তনা দেবীর মাথায় আঘাত করে রাকেশ৷ ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সান্তনা সিংহের। এরপর রাকেশই সান্তনা দেবীকে হাসপাতালে নিয়ে আসে এবং পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশকে জানায়। এদিকে সান্তনা দেবীর মৃত্যুর খবর পেয়েই তাঁর ভাই মঙ্গল সরাসরি রাকেশ সিংহের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলে।
পুলিশেরও রাকেশ সম্পর্কে সন্দেহ হয়। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে রাকেশ তার বৌদিকে খুন করার কথা স্বীকার করে। এরপরই ডালখোলা থানার পুলিশ গ্রেফতার করে রাকেশ সিংহকে।
মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ডালখোলা থানার পুলিশ।
