পার্থ কুশারী ,মথুরাপুর ,
দক্ষিণ ২৪ পরগনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় রায়দিঘি বিধানসভার মথুরাপুর এক নম্বর ব্লকের লাল পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪ জন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সদস্যা।
বিগত ৬ ই জুন মোবাইল ফোন কে কেন্দ্র করে লালপুর অঞ্চলে গম্বুজ মসজিদ পাড়ার বাসিন্দা রাজু হালদার খুন হয়।
সেই কেসে ৯ জনের নামে খুনের মামলা রুজু করে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে মথুরাপুর থানার পুলিশ।
কিন্তু গত শনিবার লাল পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসক দলের সদস্য নুরালি হালদারের বাড়িতে রাত্রি ১২ টার সময় মথুরাপুর থানার পুলিশ এসে নুর আলি হালদার এবং তার ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের নাম করে থানাতে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে লাল পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানসহ সমস্ত সদস্যরা থানায় যান পরের দিন সকালে, কিন্তু থানায় গিয়ে দেখতে পান সকাল ৮ মধ্যে গ্রাম সদস্য নুর আলি হালদার কে কোটে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের কাছে বারবার জানা সত্ত্বেও কোন কেসে, কেন গ্রেফতার করা হল কেউ বলতে চায়নি বলে অভিযোগ।
প্রধান শহর সদস্য-সদস্যাদের অভিযোগ মথুরাপুর থানা অফিসাররা বড়বাবু অফিসে নেই বলে এড়িয়ে যান, প্রশাসন আরো বলেন বড়বাবু না এলে কিছু বলতে পারবেন না, প্রধান সহ অন্যান্য সদস্যদের এ অভিযোগ।
তারই প্রতিবাদে এবং শাসক দলের উপর নেতৃত্বে কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি অভিযোগ তুলে প্রধানসহ ১৩ জন সদস্য সদস্যা আজ বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা বলেন আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যদি দল তাদের পাশে না দাঁড়ায় তাহলে সবাই তারা দল থেকে পদত্যাগ করবেন।
প্রত্যেকেই জলের উপর নেতৃত্তের উ jপর ক্ষোভ উগরে দেন। তাদের অভিযোগ দল তাদের কোনো সহযোগিতা করছেন না। যে দল তাদের সহযোগিতা করে না সেই দলে তারা থাকতে আর চান না।৭২ ঘণ্টার মধ্যে নুর আলি হালদার ছাড়া না পেলে এবং দল তাদের সঙ্গে সহযোগিতা না করলে তারা সবাই দল ছাড়বেন। এখন দেখার দল কি চিন্তা ভাবনা করেন

