মালদা ২৮ জুলাই ঃ
জলকাদায় ভর্তি চৌধূরীটোলা গ্রামের রাস্তা। যাতায়াতের অনুপযুক্ত হওয়ার ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের ।বর্ষাকালে চরম আতঙ্কে দিন কাটায় কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের বাঙ্গীটোলা অঞ্চলের চৌধূরীটোলা গ্রাম।
গোসাই হাট থেকে চৌধুরীটোলা পর্যন্ত জলকাদায় ধানের ক্ষেতে প্ররিনত হয় । ফলে চরম সমস্যার সম্মুখীন হয় বাঙ্গীটোলা পঞ্চনন্দপুর উত্তর লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাধারণ মানুষ।
গ্রামের মানুষের অসুস্থ হলে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যেতে পারে না । ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ের যাওয়া নিয়ে চরম সমস্যার মধ্যে পড়ে। একাধিক বার পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি জেলা পরিষদ কে জানিয়েও কোন ফল না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আন্দোলনে নামতে চলেছে গোসাইহাট চৌধুরীর গ্রামের সাধারণ মানুষ।বাঙ্গীটোলার গোসাই হাট থেকে চৌধুরীটোলা
পঞ্চানন্দপুর পর্যন্ত রাস্তাটি পুরাতন ।
এই রাস্তায় বাঙ্গীটোলা পঞ্চনন্দপুর উত্তর লক্ষ্মীপুর তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে ।বাঙ্গীটোলা হাসপাতাল ও এলাকার বুধবারের হাটে বাজার করতে আসে ২তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের দশ বারো টি গ্রামের ৩০/৪০ হাজার মানুষ ।
সাধারণ মানুষের এই রাস্তায় হাঁটা চলা বর্তমানে দায় হয়ে পড়েছে। ছাত্রছাত্রীরা মাঝেমধ্যেই এই রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে জখম হচ্ছে স্থানীয় মানুষ অসুস্থ হলে তাকে পার্শ্ববর্তী বাঙ্গীটোলাতে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গোসাইহাট চৌধুরীটোলা গ্রামের মানুষের। এখানকার মানুষ কার্যত রাস্তাহীন অবস্থায় বর্ষাকালে বন্দীদশার জীবন কাটায়।স্থানীয় স্কুলের ছাত্র রশিদ শেখ বিমল চন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন বর্ষাকালে আমরা প্রতিদিন স্কুলে যেতে পারি না প্রতিদিন স্কুল যেতে পারি না অনেক সময় রাস্তায় পড়ে জামা প্যান্টে কাদা লেগে যায় ফলে বাড়ি ফিরে আসতে হয় তাছাড়াও সাইকেল চালাতে গিয়ে কাদার মধ্যে পড়ে গিয়ে হাত পা ভেঙে যায়।
ফলে আমাদের আতঙ্কে দিন কাটে দু তিনটা মাস কার্যত বন্দিদশা কাটাই। আমরা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সর্বস্তরে জানিয়েও কোনো লাভ হয় নি ।
