এবি বঙ্গনিউজ,দক্ষিণ দিনাজপুর,
বিদ্যালয়ের ক্লাস ঘরের টেবিলে পা কাটল ছাত্রের, দেখা মেলেনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অসহ্য ব্যথা নিয়ে বেশ কয়েক ঘন্টা শ্রেণী কক্ষে পরে থাকলো ছাত্র বলে অভিযোগ অভিভাবকের।
বেশ কয়েক ঘন্টা পর এলাকাবাসীরা ও ছাত্রের বাবা ঘটনার খবর পেয়ে স্কুল থেকে ওই ছাত্রকে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা করান । ঘটনার প্রতিবাদে স্কুলের ঝুলও তালা।
বুধবার চঞ্চল কর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশী হারী থানার দৌলতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
শিক্ষকের এমন বিষয় নিয়ে যেন কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হই তার জন্য পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি যথাস্থানে জানাবেন বলে জানিয়েছেন।।
এলাকাবাসীদের অভিযোগ প্রায় দৌলতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাস্টার মশাইরা সময় মতো বিদ্যালয়ে আসেন না।
প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে বহু সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী ও চারজন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন। প্রতিদিনের মতোই বুধবার দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা পেশায় কৃষক মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র রিজুনুর রহমান পড়াশোনা করতে বিদ্যালয়ে যায়। অভিযোগ শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ভাঙা টেবিলের অংশে পা কেটে যায় ওই ছাত্রের।
সমস্ত বিষয়টা শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানতেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা।
এ বিষয়ে আহত ওই ছাত্র রীজুনুর রহমান জানিয়েছেন, স্কুলে ঢুকে ভাঙা টেবিলের অংশে পা কাটে তার , অনেকক্ষণ কান্না ও চিৎকার করার পরেও পাশে পায়নি শিক্ষক শিক্ষিকা কে।
এ বিষয়ে আহত ছাত্রের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, পা কেটে যাওয়ার পর ছেলে অনেকক্ষণ বিদ্যালয় ছিল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তেমন কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি ঘটনার খবর পেয়ে সে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ,সে ও এলাকাবাসি রা তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যায়।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিদ্যালয়ের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহ-সভাপতি গণেশ প্রসাদ।
এই বিষয়ে গণেশ প্রসাদ জানিয়েছেন , সমস্ত বিষয়টি এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি। ঘটনায় কড়া ব্যবস্থা নেবার জন্য যথাস্থানে জানানো হবে।
যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রায় দুই ঘণ্টা পর এসে মিটিং ছিল বলে কিছুটা নিজের দায় সারেন।
বংশী হারি সার্কেলের এস আই অফ স্কুল জানিয়েছেন বিষয়টা যদি এমন হয়ে থাকে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমন ঘটনায় শোরগোল ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে।
