নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া:
কালীপুজো যতই ঘনিয়ে আসছে, হাওড়ার বেলুরে বুড়িমা আতশবাজির কারখানায় ইতিমধ্যেই ক্রেতাদের ভিড় জমে গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বাজি কেনার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন। বুড়িমার বাজি এত আকর্ষণীয় কেন? কারখানার ব্যবস্থাপনার দাবি, তাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কম দাম, উচ্চ গুণমান এবং শতভাগ গ্রাহক সন্তুষ্টি।
বাংলার মানুষের কাছে বুদিমা নামটি শৈশবের স্মৃতির সঙ্গে জড়িত। অনেকেই বুড়িমার চকোলেট বোম ফাটিয়ে শৈশব কাটিয়েছেন।১৯৯৬ সালে চকোলেট বোম নিষিদ্ধ হওয়ার পর, বুড়িমার ব্যবসা এখন পুরোপুরি আলো ছড়ানো সবুজ বাজির উপর কেন্দ্রীভূত। এবার ক্রেতাদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হলো 'স্টাইল শট' বিভাগে চালু হওয়া 'ড্রাগন টুয়েন্টি ফাইভ'। কোম্পানির মতে, এই বাজিটি আকাশে ২৫ বার আলোর ঝলকানি ছড়াবে।কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, তাদের সমস্ত আতশবাজি NEERI সনদপ্রাপ্ত এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরেই বাজারে ছাড়া হয়েছে। প্রতিটি আতশবাজির বাক্সে একটি QR কোড রয়েছে, যা স্ক্যান করলে সংশ্লিষ্ট সনদটি দেখা যাবে।কারখানা কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে আবেদন জানিয়েছে, তারা যেন আতশবাজি কেনার আগে এর সত্যতা যাচাই করে নেন এবং শুধুমাত্র নিরাপত্তা বিধি মেনেই তা ব্যবহার করেন। শিশু ও বয়স্কদের সাথে উৎসবটি উপভোগ করুন এবং নিশ্চিত করুন যেন আতশবাজি আশেপাশের কারো কোনো ক্ষতি না করে। বুড়িমার বংশধর সুমিত দাস জানান , রাজ্য সরকার তাদের খুব সহযোগিতা করছে। সরকার পরিবর্তনের পর গেড়ুয়া বাজির চাহিদা এ বছর বেশি।তিনি বলেন তাঁদের তৈরি বাজি বাংলা, বিহাড় ওড়িশায় যায় । মোট কথা একসময় লড়াই করে উঠে আসা বুড়িমার বাজি এখন পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মনের আবেগে প্রবেশ করেছে। মানুষ এই বুড়িমার বাজি নিয়ে এখনও নস্টালজিক।




