উ
ল্লেখ্য গত ৯ আগস্ট কলকাতার আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত পিজিটি মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর থেকেই রাজ্য ও দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে।
ডাক্তার, নার্স, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে সমস্ত স্তরের মানুষের একটাই দাবি এই নারকীয় ঘটনার বিচার চাই,প্রকৃত দোষীদের শাস্তি চাই। আজকের এই প্রতিবাদ মিছিল থেকে আওয়াজ ওঠে "বিচার যত থমকে রবে, গর্জন তত তীব্র হবে"। স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রী ও যুবকদের দ্বারা আয়োজিত এই মিছিলের এক আহ্বায়ক শুভেন্দু দণ্ডপাঠ বলেন যে, "এই ধরনের নারকীয় ঘটনার মূল অপরাধীদের বিচার না হলে এই অপরাধ সমাজে বাড়তেই থাকবে। আমরা আমাদের পরিবারের যে কেউই এই অপরাধের শিকার হতে পারি। তাই সমস্ত মানুষের আজ এই প্রতিবাদে আসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
আমরা অত্যন্ত আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি যে,এই ধরনের অপরাধীদের আড়াল করারও একটা হীন প্রচেষ্টা কেউ কেউ করছে। তাদের ধিক্কার জানাই।আশা করছি, আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থা অতি দ্রুত উপযুক্ত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দেবে।"আহ্বায়ক এক শিক্ষক সেখ আজহারুদ্দিন বলেন যে,"যতদিন না আসল দোষীদের বিচারব্যবস্থার আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হচ্ছে ততদিন অপরাধীরা এই সমাজে ঘুরে বেড়াবে। ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তাও থাকবে না। তাই ছাত্রীদের নিরাপত্তার দাবিতে এই মিছিলে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে আমরা যোগ দিয়েছি।"
মিছিলে অংশগ্রহণকারী এক ছাত্রী অঙ্কিতা মাল বলেন যে, " আজ নিজের কর্মস্থলে একজন মহিলা ডাক্তার যদি নিরাপদে না থাকতে পারে তবে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা কোথায় আছে। তাই নারী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানাতে আমরা বন্ধু -বান্ধবীরা এই মিছিলে অংশ নিয়েছি।"
মি
ছিল শুরুর আগে এই নারকীয় ঘটনার বিচার চেয়ে প্রতিবাদী চিত্র ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলে স্থানীয় চিত্রশিল্পীরা।এক চিত্রশিল্পী রূপজিৎ শ্বাসমল জানিয়েছেন যে,সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ যেভাবে আজ বিচার চেয়ে পথে নামছে তাতে সমস্ত শিল্পীরাও সামিল।দল-মত-বর্ণ সবকিছু ভুলে একমাত্র জাস্টিসের দাবিতে চিত্র অঙ্কনও আজ প্রতিবাদের ভাষা,তাই আমাদের এই প্রতিবাদে আসা।"মিছিল শেষে হিজলক মোড়ে তিলোত্তমার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়। সব মিলিয়ে এই প্রতিবাদ আজ প্রমাণ করল যে, বিচার না হওয়া পর্যন্ত বাগনানবাসী প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে।







