নিজস্ব প্রতিবেদক, শ্যামপুর,
সদরের সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর হাওড়া জেলার শ্যামপুর ১নং ব্লকের জোর দেওয়া হয়েছে গত পঞ্চায়েতে ফেলে রাখা কাজের উপর।
এই কাজের মধ্যে অন্যতম হলো নির্মল বাংলার কাজ।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আর্থিক সহায়তায় ২০২২-২৩ আর্থিক বর্ষে প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি করে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট বা কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থাপন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে।
হাওড়ার শ্যামপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মন্ডলপাড়ায় শুক্রবার উদ্বোধন করা হয়েছে একটি কঠিন বজ্র নিষ্কাশন ব্যবস্থাপন কেন্দ্রের।
যার নামকরণ নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।
কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থাপন কেন্দ্র অর্থাৎ পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকা থেকে বর্জ্য পদার্থ এনে রাখা হবে এই কেন্দ্রটিতে এবং তা থেকে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য বাছাই করে পাঠানো হবে নির্দিষ্ট জায়গায়।
তারপর সেখান থেকে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে বেরিয়ে যেমন আসবে প্লাস্টিক -তেমনি তৈরী হবে জৈব সার।
এক নজরে দেখতে গেলে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সমস্ত ধরনের বর্জ্য পদার্থ এই ব্যবস্থাপন কেন্দ্রে ফেলা হবে।
কিন্তু সেই ব্যবস্থাপন কেন্দ্রের নামকরন কে ঘিরে এত বড় একটা কাণ্ড ঘটে যাবে তা ভাবতেই পারেনি শ্যামপুরবাসী।
এই নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতির বিভিন্ন স্তরে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে খিল্লি করতে শুরু করেছে বিরোধী বিজেপি ও বামেরা।
জানা গিয়েছে শ্যামপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েতের মন্ডলপাড়ায় উদ্বোধন হয়েছে এই বর্জ্য নিষ্কাশন কেন্দ্রটি।
নামকরণ করা হয়েছে স্বামী বিবেকানন্দের নামে।
একটি ময়লা ফেলা জায়গা- তার নামকরণ খোদ স্বামী বিবেকানন্দের নামে হওয়ায় রীতিমতো বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে শ্যামপুর জুড়ে।
বলাই বাহুল্য এই কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন শ্যামপুরের বিধায়ক কালীপদ মন্ডল।
উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের অন্যতম অধ্যক্ষ অজয় মণ্ডল সহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি এবং ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক।
বিষয়টিকে বড়সড়ো ভুল হয়ে গিয়েছে বলে ড্যামেজ কন্ট্রোল করে অধ্যক্ষ অজয় মণ্ডল জানান," নামকরণের আগে একটু দেখে নেওয়া উচিত ছিল"।
কিন্তু সরকারি কাজ করতে গেলে ডিপিআর টেন্ডার সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা সময় ব্যয় হয় আর এক্ষেত্রে স্তরে স্তরে "স্বামী বিবেকানন্দ কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন কেন্দ্র"- এই নামের যে সরকারি প্রজেক্ট তা ডিপিআর কিংবা টেন্ডার করার সময় বিষয়টি কারো মাথায় এলো না কেন?- এই নিয়েই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে শ্যামপুর এলাকার বিশিষ্ট জনেরা।
শ্যামপুর এক ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক তন্ময় কার্জি এই বিষয়টি নিয়ে "নো কমেন্টস"বলে মন্তব্য করেছেন।






