_সুজিত নস্কর_
"ফুটবল প্রেমী বাঙালি দের মাঠ মুখী করে তুলেছে ডোমজুড় থানা স্পোর্টস এসোসিয়েশন" এমনই বার্তা দিলেন মাকড়দহ ইউনিয়ন মাঠে চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনাল দেখতে আসা ডোমজুড় ব্লকের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ একদা নামকরা ফুটবলার সুবীর চ্যাটার্জি (টিঙ্কাই )। যার উপস্হিতি দুই দলের খেলোয়াড় দের ও উজ্জিবীত করে তোলে। খেলার শুরু থেকেই দুই দল মাকড়দহ ইউনাইটেড ফুটবল কোচিং ক্যাম্প ও ডোমজুড় যুগান্তর ব্যায়াম সমিতি পাসিং ফুটবল খেলতেও থাকে। স্টেডিয়ামে উপস্থিত সকল ফুটবল ভক্তবৃন্দ তা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ ও করতে থাকে। প্রথম অর্ধে মাঝ মাঠেই খেলা সীমাবদ্ধ ছিল,দুই পক্ষ আক্রমন শানালেও গোল পর্যন্ত কোনো দল পৌঁছাতে পারছিল না,দুই দলেরই ডিফেন্স আঁটোসাঁটো থাকায়।
যুগান্তরের আক্রমন ভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছিল আইনিস জমাদার, তিনিই দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন বস্কের বাইরে থেকে নেওয়া দূর্দান্ত ফ্রিকিক থেকে। তখন প্রথম অর্ধের প্রায় শেষ লগ্ন।এরপর ই রেফারি দীপক দাস বিরতির বাঁশি বাজিয়ে দেন।
বিরতি থেকে ফিরে এসে মাকড়দহ ইউনাইটেড গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে, আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়ে মুহুর্মুহু ঝড় তুলতে থাকে সেখ ফৈয়াজ,সায়ন মুখার্জি,আসাদুল হক সমৃদ্ধ ইউনাইটেডের আক্রমন ভাগ। কিন্তু যুগান্তরের গোলকিপার সেখ নাজিম আলি ইসলাম কসম খেয়েই নেমেছিল, "জান যাক মান থাক" এই বাণী মনে গেঁথে। ইউনাইটেডের প্রতিটি আক্রমন প্রতিহত করছিল অবিশ্বাস্য দক্ষতায়। আসাদুল হক তিন তিনটি অতি সহজ সুযোগ পেলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় নাজিম আলি কে পরাস্ত করতে না পারার জন্য।
নামিজের অদম্য জেদ দেখে বাকি যুগান্তরের খেলোয়াড়রা ও প্রাণপন চেষ্টা করতে থাকে দলকে গোল খাওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখতে। সেই সময় কিছু অযাচিত ফাউল ও করে বসে যুগান্তরের ফুটবলাররা। দুই দলের খেলোয়াড় দের মধ্যে সাময়িক উত্তেজনা ছড়ালেও রেফারি দীপক দাস ও দুই সহকারী দিলীপ পাঁড়ুই এবং সত্যজিত শ্রীমানী তা দক্ষতার সঙ্গে সামাল দেন। ইউনাইটেড প্রশিক্ষক অরূপ শ্রীমানী (বাবলা) খেলোয়াড় পরিবর্তন করেও কাঙ্ক্ষিত গোল তুলতে পারেনি,ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতার পাশাপাশি যুগান্তরের গোলকিপার সেখ নাজিমের জন্য। সঙ্গত কারণেই খেলার ম্যান অব দি নির্বাচিত হন ডোমজুড় যুগান্তর ব্যায়াম সমিতির গোলরক্ষক সেখ নাজিম আলি ইসলাম।

