দূর্গা পূজার রেশ কাটতে না কটতেই দশমীর আট দিন পর থেকেই আবার দূর্গা পূজায় মেতে উঠলো গ্রামবাসীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক, 

উঃ দিনাজপুর, 




 দূর্গা পূজার রেশ কাটতে না কটতেই দশমীর আট দিন পর থেকেই আবার দূর্গা পূজায় মেতে উঠলো গ্রামবাসীরা। কথিত আছে নারীই দুর্গা সেই রিতীতেই কয়েশো বছরের দুর্গা পুজা" যখন সমাজে নারী নির্যাতন বেড়ে চলেছে, সেই সময় নারীই দুর্গা এই প্রথাকে সম্মান জানিয়ে ও বিশ্বাস রেখে কয়েশো বছরের দুর্গা পুজার বোধন।

 উত্তর দিনাজপুর জেলার করনদিঘির প্রত্যন্ত গ্রাম সিঙ্গারদহ তে তাই চরম ব্যস্ত পূজা উদ্যক্তারা। সাধারন দুর্গা পুজার পরের মঙ্গলবার দেবীর বোধন দিয়ে এই পুজা শুরু হয় সোনামনি কুম্ভরানীর পুজা।




 পূজাকে ঘিড়ে পাঁচদিনে ধরেই চলবে মেলা। মুলত রাজবংশী সম্প্রদায়ের এই পূজা আজ এলাকার সব মানুষের উৎসবে পরিনত হয়েছে।

 মায়ের নামে আছে বেশ কয়েক বিঘা জমি সেই জমির আয়ের ভাগ ও মেলা কমিটির টাকায় হয় এই পুজা। এই পুজা কতদিনের পুরাতন তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারে না কেউ। তবে কয়েকশো বছরের পুরাতন এই পুজা হয়ে চলেছে। মা সোনামনি কুম্ভরানী খুব যাগ্রত যে যা মনস্কামোনা নিয়ে আসে মা তার মনস্কামোনা পূরন করে । 




কথিত আছে সেই সময় সমাজে নারীদের ওপর অত্যাচার বেড়ে উঠছিল, সেই অত্যাচার এর শুরুটা যেন নববধুদের অসম্মান দিয়েই শুরু ছিল। সিঙ্গারদহ তে একটি বাড়িতে শ্রীমতী কুম্ভরানী নামে এক নব বিবাহিত বধু তার শ্বশুর শ্বাশুড়ি সাথে মা দুর্গার পুজায় যাওয়ার জন্য তৈরী হচ্ছিলেন, তার দেরী হওয়ায় শ্বশুর শ্বাশুড়ি রাগান্বিত হয়ে উচু স্বরে বৌমাকে ডাকতে যান ঘরে। গিয়েই দেখেন বৌমা কুম্ভরানী স্বয়ং মা দুর্গার রূপ ধারন করে আছেন। 

কুম্ভরানী আদেশ দেন নারীর ওপর অত্যাচার বন্ধ করার। নারীকে দুর্গা রূপে সম্মান দেবার। এছাড়াও সিঙ্গারদহ গ্রামে কুম্ভরানী নামে দেবীর পুজা শুরু করারও আদেশ দেন মা। 


সেই পুজার মধ্যদিয়েই সিঙ্গারদহ গ্রামকে সব বিপদ থেকে রক্ষা করবেন। আজও মা দুর্গার পুজা সেই পুরানো রীতি মেনেই করা হচ্ছে করনদিঘি তে।

AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com
⏳ নিউজ লোড হচ্ছে...