হাওড়া,,, বাবু হক,,,
আগামী কাল মঙ্গলবার ঊনত্রিশ অক্টোবর,ভাতৃদ্বীতীয়া।
সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের বাংলা বাঙালির ঘরে ঘরে, বিভিন্ন স্থানে নানান ধরনের ক্লাব,সমিতি,সংঘ, বারোয়ারী, মন্দির কমিটির আয়োজনে ভাতৃদ্বীতীয়া উদযাপন উপলক্ষে বোনেরা ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিয়ে আশির্বাদ ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মিষ্টি মুখ,বস্ত্র , উপহার তুলে দেবেন তার পর স্বপরিবারে ভূরিভোজের আয়োজনে ভাতৃদ্বীতীয়া আনন্দ উপভোগ করবেন বলে জানা গেছে।
চিরাচরিত রীতি নীতি অনুসরণ করে বাংলা বাঙালির কৃষ্টি কালচার আতিথিয়তার মিলন মেলায় নিজেরাই নিজেদের মতো করে মেতে উঠবেন।
কথিত আছে, ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা ,যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা , আমি দি আমার ভাইকে ফোঁটা।
ধান ,দূর্বা, চন্দন দিয়ে বোনেরা ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেবেন ও মিষ্টি মুখ করিয়ে বস্ত্র ও উপহার সামগ্রী তুলে দেবেন এরূপ ভাবেই ভাতৃদ্বীতীয়ার মিলন মেলায় আনন্দ উপভোগ করবেন।
তার পর সাধ্যমত চলবে ভূরিভোজের আয়োজন নানান রকমের পদ্ধতি অবলম্বন করে নানান ধরনের পদের রান্না বান্না ও খাওয়ার জন্য।
বিভিন্ন স্থানে নানান ধরনের সংস্থা ও তাঁরা তাঁদের মতো করে পথচারী, পথশিশুদের নিয়ে, কোথায়ও আবাসিক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন জনদের নিয়ে গণ ভাই ফোঁটার আয়োজন করেছে বলে জানা গেছে।
পূর্বে একান্নবর্তী পরিবারে সচেতনতা থাকায় বা না থাকায় জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা না করার কারণে শিশুভ্রুণ ক্ষয় বা শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, ঘটছে কিন্তু পুত্র সন্তান হবে বা কন্যা সন্তানের জন্ম হবে এই অপেক্ষায় থেকে থেকে জন্মগ্রহণ অধিক পরিমাণে হয়েছে কোন কোন পরিবারে শিক্ষা ও অশিক্ষা কুসংস্কার থাকায় তার কবলে পড়ে গিয়ে ঘাটেছে অধিক পরিমাণে জন্মগ্রহণ।
বর্তমান আধুনিক যুগে সচেতনতার কারণেই এক এক পরিবারে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করার জন্য একটি বা দুটি সন্তান সে ছেলেই হোক কিংবা মেয়েই হোক।
বাঙালির রীতি নীতি অনুসারে দীর্ঘ এক বছর পর এই দিনটির অপেক্ষায় থাকে পরিবারের সদস্য ও সদস্যা ভাই ও বোন। বিবাহিতা ও অবিবাহিত বোন জীবন যাপন জীবিকার তাগিদে বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুক না কেন এই মহা মিলনের ভাতৃদ্বীতীয়ার দিনটির জন্য প্রস্তুতি ও অপেক্ষায় থাকে।
ভাতৃদ্বীতীয়ার দিন ও আগের দিন যে কোন ধরনের যানবাহন ও বিশেষ করে মিষ্টির দোকান ভিড় লেগেই থাকে, সেই দৃশ্য আজকে দেখা গেল আমাদের প্রতিনিধির ক্যামেরায়।


