আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জল থেকে বঞ্চিত এখনো ইংরেজবাজার শহরের মানুষ।




নিজস্ব প্রতিবেদক,,মালদা- 

 আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জল থেকে বঞ্চিত এখনো ইংরেজবাজার শহরের মানুষ। অথচ শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে গ্রামগুলিতে অনেকদিন আগেই ব্যবস্থা করা হয়েছে আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জলের।

 অথচ অবহেলায় রয়েছে সেখানকার পানীয় জল সরবরাহ। 

ওয়াইফ হাটিয়ে আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জলের অপচয় করা হচ্ছে।




 কোথাও কোথাও সেই ফাটা অংশ থেকে ফরারি জল চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। কোথাও কোথাও সেই অপচয় জল জমে পুকুরের আকার ধারণ করেছে। 

আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জলের এভাবে বিভিন্ন জায়গায় কাটানোর ফলে বিভিন্ন ধরনের পতঙ্গ বাহিত রোগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অথচ নির্বিকার জেলা প্রশাসন। 

 ইংলিশবাজার থানার মধ্যে রয়েছে শহর এবং অমৃতি গ্রাম পঞ্চায়েত। 

অমৃতি জুড়ে জেলা প্রশাসন অনেকদিন আগেই আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করেছে। শহরের মধ্যে আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা না হলেও শহরের মানুষ অনেকেই এখনও এই আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জলের উপর নির্ভরশীল অনেকেই পয়সা দিয়ে সেই পানীয় জল কিনে থাকেন। 




পানীয় জল বিক্রেতারা অঞ্চলে বিভিন্ন অংশে আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জল সংগ্রহ করে তা শহরের মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেন। যেখানে মানুষ জল কিনে খাচ্ছে সেখানে অভিরা জল অপচয় হয়ে যাচ্ছে। 

অমৃতি মোহনপুর এলাকায় বেশ কিছু জায়গায় এরকম ফাটিয়ে জল বের করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বনাথ কর্মকার জানান, 'আমাদের এখানে বিক্রমপুর, মোহনপুর সহ কয়েকটি গ্রামে লোক সংখ্যা প্রায় 500। 

আমরা আর্সেনিকমুক্ত পানি ও জলি ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এই এলাকার বিভিন্ন জায়গায় এই আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জলের বড় বড় পাইপগুলি কে বা কারা ফাটিয়ে দিয়েছে।

 এর ফলে জলের অপচয় যেমন হচ্ছে তেমনি পতঙ্গ বাহিত রোগও হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অবিলম্বে প্রশাসনের দেখা উচিত। তা নাহলে উল্টে আমরা বিপদে পড়বো।' শনিবার এই রাস্তা ধরে যাচ্ছিলেন শহরের বাসিন্দা সায়ন মণ্ডল। পড়া করে জলের অপচয় দেখে তিনি হতভম্ব। রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিষন্নতার সঙ্গে তিনি জানান, 'আমাদের শহরে এখনও আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল সরবরাহ করা সম্ভব হলো না।

 অথচ এখানে জল অপচয় হয়ে চলেছে। আমাদের আশিক হতে পানি জল পয়সা দিয়ে কিনে খেতে হয়। অবিলম্বে প্রশাসনের দেখা উচিত। গুরুত্বসহকারে ভাবা উচিত।' জানা গেছে, অনেকেরই পাইপলাইনের কাছাকাছি বাড়ি।

 অথচ পানীয় জলের টেপ কোনটি বেশ কিছুটা দূরে। ফলে এই বিশাল আকার 5 থেকে পাই ফাটিয়ে জল নেওয়াটা খুব সহজ।

 সেটা যেমন একটি কারণ, তেমনই আসলি মুক্ত পানীয় জল বিক্রেতারা তাদের কাছাকাছি এলাকায় এসে ফাটিয়ে সেখান থেকে জল নিয়ে গিয়ে থাকেন। 

সেটাও পাই ফাটানোর কারণ হতে পারে।

AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com
⏳ নিউজ লোড হচ্ছে...