এবি বঙ্গনিউজ।
জল সংরক্ষণ আমাদের করতেই হবে,এটা সকলের ভাবা উচিত।
আসুন আলোচনা করা যাক ,জল আমাদের পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ।জলই হল পৃথিবীতে প্রানের সঞ্চারের প্রথম উৎস ।
জল ছাড়া যাদের প্রাণ আছে তারা বাঁচতে পারে না,তাই আমরা বলে থাকি"জলের ওপর নাম জীবন"।আমাদের পৃথিবীতে তিন ভাগ জল ও এক ভাগ স্থল।
তাহলে এত জল থাকা সত্বেও জল সংরক্ষণ এর কথা বলা হচ্ছে কেন?এই প্রশ্নটা সবার মনে আসছে তাই না।হ্যাঁ সত্যি জল সংরক্ষণ করতেই হবে।পৃথিবীতে যে তিনভাগ জল আছে তার ৯৭ভাগ জল আমরা পান করতে পারিনা ,মাত্র ৩ভাগ জল পান করি।
অর্থাৎ পানীয় জলের পরিমান খুবই কম ,আর এই জলের বেশির ভাগ পেয়ে থাকি ভূগর্ভস্থ 'কৈশিক জল'থেকে।আর এই 'কৈশিক জল'এর মূল উৎস হল পৃথিবী পৃষ্ঠের জলাশয়।
বিজ্ঞানীরা বলেন,'কৈশিক জল'তৈরি হয় পৃথিবী পৃষ্ঠের জল যখন চুঁইয়ে নীচে আসে মাটির বিভিন্ন স্তর ভেদ করে।ওনারা বলেন এই পৃথিবী পৃষ্ঠের জল চুঁইয়ে নীচে যেতে বহু সময় লাগে।অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের জল থেকে পানীয় জল পেতে অনেক অপেক্ষা করতে হয়।
কিন্তু দুঃখের বিষয় বিজ্ঞান যত উন্নত হয়েছে ,মাটির নীচে থেকে জল প্রচুর পরিমানে কয়েক মিনিট বের করে নিচ্ছি নির্দ্বিধায়।
আর এই পানীয় জলকে বিশেষ করে শহরের লোকেরা বাড়ীর নানান কাজে ব্যবহার করছে,অথছ এই জল শুধুই পান করার জন্যই ।এর ফলে শহরের ভুগর্ভস্থ জল দ্রুত শেষ হচ্ছে,যার প্রমান আমরা চেন্নাই শহরে পেলাম।চেন্নাই এ পানীয় জল পাওয়া খুবই সংকট জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে, এই পরিস্থিতি দেখে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
চেন্নাই এর মত পরিস্থিতি যাতে অন্ন স্থানে না হয় তার জন্য আমাদের উচিত,পৃথিবী পৃষ্ঠের জলাশয় গুলি বুজিয়ে না দেওয়া,জলাশয়ে প্লাস্টিক না ফেলা,গাছ লাগানো,বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করা ইত্যাদি।
যদি অন্যান্য শহরের অবস্থা চেন্নাই এর মত হয় তাহলে এর খারাপ প্রভাব গ্রাম গুলোতেও পড়বে।তাই সকলকে জল সংরক্ষণ করা উচিৎ এবং ভূগর্ভস্থ জল অপচয় বন্ধ করা উচিত।

