এবি বঙ্গনিউজ, উঃ দিনাজপুর।
আদালতের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকার সক্রিয় হয়ে উঠেছে টোটর বদলে বৈধ্য ই-রিক্সা রাস্তায় নামাতে।
দাবি মোড়কের আড়ালে সরকারি এই উদ্যোগের বিরোধিতায় এবারে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জে আন্দোলনে নামলো তৃনমূল প্রন্তী টোটো চালক সংগঠন৷
মঙ্গলবার দুপুরে কালিয়াগঞ্জ বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেওয়া হল৷
ব্লক তৃনমূল সভাপতি দধিমোহন দেবসর্মার উপস্থিতিতে এদিন ৫ দফা দাবি আদায়ে প্রশাসনের কাছে ডেপুটেশন দিল টোটো চালক সংগঠন।
কালিয়াগঞ্জ ব্লক গ্রামীন টোটো চালক সংগঠন৷ গ্রামীন টোটো চালক সংগঠের সভাপতি হায়দার আলী ও আই এন টি টি ইউ সি ব্লক সভাপতি সাহাজান চৌধূরী সহ অন্যান নেতৃত্ব অংশ নেয়।এদিনের শান্তিপূর্ন ডেপুটেশনে অংশ নিয়েছিল বহু টোট চালকেরা।
এদিন র্যালী করে এসে ব্লক অফিসে বেশকিছু সময় অবস্থান বিক্ষোভ করার পড় যুগ্ম বিডিও পরিমল দাসের কাছে দাবিপত্র পেশ করেন। তাদের দাবি গুলির মধ্য হল সরকারের পক্ষে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাতে টোটো চালকের দুর্দশা আরো বাড়িয়ে তুলছে।
কারন টোটো চালকেরা বিভিন্ন যায়গা থেকে ঋন নিয়ে লক্ষ্যাধিক টাকার দিয়ে টোটো কিনে রাস্তায় নেমে ৩০০-৪০০ টাকা রোজগার করে সংসার চালায়।তাদের পক্ষে পূনরায় এক দেড় লক্ষ্য টাকা ব্যায় করে ই-রিক্সা কেনা সম্ভব নয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পূরানো টোটোর বদলে ২৫-৩০ হাজার টাকা মূল্য দিবে।
এই ব্যবস্থা ভালো কিন্তু পুরাতন টোটোর বদলে যে মূল্য নির্ধারন করা হয়েছে তা নিয়ে সহমোত নয় টোটো সংগঠন। তাদের দাবি টোটোর বদলে ই- রিক্সা দেওয়া হোক।
অথবা টোটো গুলিকে ৮০ হাজার টাকায় ক্রয় করুক সরকার তাদের ই-রিক্সা দিক।এক্ষেত্রে বাকি টাকা দুই বছর ঋন হিসাবে সোধ করতে দিতে হবে। বিনা মূল্যে লাইসেন্স করে দিতে হবে,প্রথম ইন্সুরেন্স করে দিতে হবে এবং রুট প্রথা বিলোপ ঘটানো হোক।
তাই তাদের কথা মানবিকতার সাথে ভাবুক দাবি তৃনমূল টোটো চালকদের। এদিনের ডেপুটেশন ঘিড়ে কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা না ঘটে পুলিশ মতায়ন করা হয় ব্লক অফিসে।
এই বিষয়ে যুগ্ম বিডিও পরিমল দাস জানান,টোটো চালকেরা কিছু দাবি দাওয়া নিয়ে এসেছিল।
সরকারি যে বেশ কিছু নিয়ম চালু করেছে টোটো বদলে ই- রিস্কার বিষয়ে। তাদের দাবি গুলি তার উর্দ্ধতন কর্তিপক্ষ্যের কাছে পাঠাবেন।

